
খুলনার রূপসা উপজেলায় মোহন আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম পুতুল পলাতক রয়েছেন। ঘটনার স্থান থেকে একটি রক্তমাখা কুড়ালও জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জয়পুর গ্রামের তার নিজ ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছেলে শিমুল হোসেন জানিয়েছেন, তার বাবা মোহন আলী ডুমুরিয়ার কৈয়া বাজারে মিষ্টির দোকানের কারিগর ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। বাবা-মা পাশের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। ভোরে শিমুলের মা হোসনেয়ারা বেগম পুতুল ঘরের দরজা নক করেন। শিমুল ঘুম থেকে উঠে তাকে দরজা খোলা রাখার কথা বলে বের হয়ে যান এবং পরে আবার ঘুমিয়ে পড়েন।
শিমুল বলেন, “সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে দুলাভাইয়ের ডাক চিৎকার শুনে দেখি বাবার রক্তাক্ত নিথর দেহ। মা কোথায় আছেন খুঁজেও পাওয়া যায়নি। তখনই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।”
শিমুল আরও জানান, “বাবাকে হত্যা করার পর মা নিজের প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় নিয়ে পালিয়ে গেছেন। মোবাইলেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।”
রূপসা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর রাজ্জাক বলেন, “ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী পলাতক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনিই এই হত্যার সঙ্গে জড়িত।” তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।