
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় থানার সামনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কালীগঞ্জ থানার সামনে বিএনপির পার্টি অফিসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খানের নেতৃত্বে একটি আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালে হঠাৎ করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চেষ্টা চালায়। এসময় সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিরা পুলিশের ওপরও চড়াও হয়। এতে পুলিশ সদস্যসহ মোট ১২ জন আহত হন। আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা লুৎফুর রহমান লেন্টু জানান, রাশেদ খানের নেতৃত্বে পার্টি অফিসে আমাদের আলোচনা সভা চলছিল। এসময় মহারাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম তার সমর্থকদের নিয়ে অফিসের বাইরে অবস্থান নেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জেল্লাল হোসেন বলেন, “থানায় তাবাসসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু তাহেরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান স্যার সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন। এসময় থানার সামনে বিএনপির পার্টি অফিসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পুলিশসহ ১২ জন আহত হন।”
পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।