
বিএনপি সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু।
তিনি বলেন, আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে এসেছি। এখানে আমরা সবাই সমান। আমরা কারও সঙ্গে কারও বিভেদ করি না।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রতযাত্রা মহাউৎসব উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিতে লক্ষ্মীপুর শহরের ইসকন মন্দির ও শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়া মন্দিরে রথযাত্রার উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
হিন্দু সম্প্রদায় যাতে নির্বিঘ্নে তাদের সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সেজন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বন্ধুর মতো তাদের পাশে থাকতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বর্তমানে কিছু মহল দেশে সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করছে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যাতে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে।
সাহাব উদ্দিন সাবু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সকল কর্মকান্ডকে সহযোগিতা করবো। এ দেশ আমাদের, যার যার ধর্ম সে পালন করবে। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই, আমরা সবাই ভাই ভাই। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। এ দেশে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৫ই আগস্টের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। রাত জেগে তাদের বাড়ি পাহারা দিয়েছে। বিএনপি সরকার যতদিন থাকবে, তত দিন হিন্দু ভাইদের পাশে থাকবে। তাদের নিরাপত্তার জন্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাকর্মীরা পাশে থাকবে। বিএনপি সরকার সবসময় হিন্দুদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করবে।
পরে রথযাত্রা উপলক্ষ্যে বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে অংশ নেন বিভিন্ন বয়সী ভক্ত-পুণ্যার্থীরা। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শংকর মজুমদার, বাবু স্বপন চন্দ্রনাথ, শিমুল শাহ, এডভোকেট মিলন মন্ডল, মানিক শাহ ও এডভোকেট রাজ বিজয় চক্রবর্তী প্রমুখ।