
আর্থিক খাতে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঝেও আমানত সংগ্রহ ও খেলাপি ঋণ আদায়ে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে দেশের অন্যতম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। বিশেষ উদ্যোগ ‘ডিপোজিট ও রিকভারি ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর আওতায় চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাত্র ৩৮টি কর্মদিবসে ব্যাংকটি গৌরবজনকভাবে সর্বমোট ১,৬৭৮.৪৮ কোটি টাকার নতুন আমানত সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।
সংগৃহীত এই বিশাল আমানতের খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রিটেইল ডিপোজিট বা সাধারণ গ্রাহক পর্যায় থেকে এসেছে ১,০৮৭.৫৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন বড় প্রাতিষ্ঠানিক বা কর্পোরেট ডিপোজিট থেকে ৪৮৬.৪৬ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এসএমই ডিপোজিট খাত থেকে ১০৪.৪৪ কোটি টাকা যুক্ত হয়েছে।
একই সঙ্গে ব্যাংকটি ঋণ আদায়েও বড় চমক দেখিয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত প্রথম পাঁচ মাসে খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটি সফলভাবে প্রায় ৬৬৫ কোটি টাকার ক্যাশ রিকভারি বা নগদ অর্থ আদায় সম্পন্ন করেছে।
ব্যাংকের এই যুগান্তকারী মাইলফলক অর্জন প্রসঙ্গে দি প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, "এই অর্জন আমাদের গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। দায়িত্বশীল ব্যাংকিং, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করবে।"
একই সুর মিলিয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মনজুর মফিজ এই সাফল্যের নেপথ্য কারণ তুলে ধরে বলেন, "মাত্র ৩৮ দিনে এ অসাধারণ সাফল্য আমাদের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও টিমওয়ার্কের ফল। আমরা আরও উন্নত ডিজিটাল সেবা দিয়ে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখব এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করব।"
প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দৃঢ় আশাবাদ, উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার চমৎকার মেলবন্ধনে গ্রাহকদের এই অবিচল আস্থা সামনের দিনগুলোতেও ধরে রাখা হবে। ব্যাংকের ব্যবসার এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রা সচল রাখতে প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামীতেও সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।