
বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তা পেয়েও সংকটের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। গ্রাহকদের আমানতের টাকা দিতে না পারায় শাখায় শাখায় বাড়ছে ভোগান্তি ও ক্ষোভ। অনেক শাখায় পর্যাপ্ত নগদ অর্থ না থাকায় গ্রাহকরা টাকা তুলতে পারছেন না। এটিএমেও প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি, বিপুল খেলাপি ঋণ, বড় অঙ্কের পুঞ্জীভূত লোকসান এবং দীর্ঘদিনের করপোরেট সুশাসনের দুর্বলতা ব্যাংকটির সংকটকে আরও গভীর করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের সংকট কাটানো সম্ভব নয়; এর জন্য সুশাসন ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৬৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে। এর পরিমাণ ২৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। বিপুল খেলাপি ঋণের পাশাপাশি তীব্র তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত নগদ জমা অনুপাত (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ অনুপাত (এসএলআর) বজায় রাখতেও ব্যর্থ হচ্ছে।
আস্থার সংকটের কারণে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে নতুন আমানত আসার প্রবাহও কমে গেছে। অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব, বড় কিছু করপোরেট গ্রাহকের কাছে ঋণ কেন্দ্রীভূত থাকা এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের কারণে ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
টাকা তুলতে না পেরে হাইকোর্টে চার আমানতকারী
ন্যাশনাল ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা থাকা সত্ত্বেও নিজেদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের অর্থ তুলতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন চার আমানতকারী। দিনের পর দিন শাখায় ঘুরেও টাকা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।
ব্যাংকে থাকা নিজেদের বৈধ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে ব্যর্থ হওয়াকে কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারির আবেদন জানিয়ে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটটির নম্বর ১৩৬৬৮/২০২৬।
রিট আবেদন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর নিজ নিজ শাখায় টাকা উত্তোলনের জন্য চেক জমা দেন আমানতকারীরা। তবে শাখা কর্তৃপক্ষ কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই চেকগুলো প্রক্রিয়াজাত ও টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে ময়মনসিংহের ভালুকা শাখার গ্রাহক মো. শামীম আহমেদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকার চেক (নম্বর ৪৮৭১৬৮৪) জমা দিয়ে টাকা না পেয়েই ফিরে আসেন।
একই দিনে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এসএমই শাখার গ্রাহক নাসিমা বেগম ৩০ হাজার টাকার চেক (নম্বর NSB-K ৭২৩৬৪৩২) দিয়েও টাকা তুলতে পারেননি।
এ ছাড়া মির্জাপুর এসএমই কৃষি শাখার আমানতকারী লাকি আক্তার এবং মির্জাপুর শাখার মোছা. সাথী বেগমও আমানতের টাকা তুলতে গিয়ে একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হন।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এমন আচরণের পর আমানতকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগে ই-মেইলের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকেও কোনো কার্যকর বা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ পাননি বলে রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে কোনো সাড়া না পেয়ে এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সচল রাখতে নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলনের সুযোগ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন চার আমানতকারী।
মামলায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে মো. শামীম আহমেদকে আমমোক্তার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রিট আবেদনটি পরিচালনা করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মারুফ উল আবেদ।
চলতি বছরের রোজার ঈদের আগে পেয়েছিল ১ হাজার কোটি টাকা
তারল্য সংকটের কারণে ঈদের আগে জরুরি তহবিল হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ঈদের সময় গ্রাহকদের টাকা তোলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ৯০ দিনের জন্য এ তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তখন জানিয়েছিলেন, ন্যাশনাল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি দিয়ে তাদের তহবিল সমস্যার কথা জানায়। গ্রাহকদের অর্থ সময়মতো ফেরত দিতে না পারার বিষয়টিও জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যাংকটিকে তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়।
ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্যাশ ফ্লো ঠিক রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। ঈদের আগে গ্রাহকদের টাকা তোলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ সময় বেশি তারল্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্যাংকে যে পরিমাণ আমানত ও ঋণ আদায় হচ্ছে, তা দিয়ে তারল্য ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
ন্যাশনাল ব্যাংকের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া ১ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যাংকটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাংকের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বড় কোনো বিষয় নয়। মূলত আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনে সহায়তা করতেই এ অর্থ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ব্যাংকটি ৪৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক। এখানে ১ হাজার কোটি টাকা এমন কোনো বড় বিষয় নয়, যেটি ব্যাংকের বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেবে। এই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত আমানতকারীদের টাকা উত্তোলনে সহায়তা করার জন্য দিয়েছে।’
তবে সহায়তার খবর প্রকাশ্যে আসার পর উল্টো ব্যাংকটিতে টাকা উত্তোলনের চাপ বেড়ে যায় বলে জানান তিনি। এ ধরনের তহবিল অনেক সময় ভালো করার চেয়ে উল্টো পরিস্থিতি খারাপ করে দেয়। বর্তমানে তারল্য ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ‘রেশনিং’ করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তবে ছোট অঙ্কের আমানতকারীদের টাকা উত্তোলনে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।
নাসা গ্রুপের সম্পত্তি নিলামে
তারল্য সংকট ও খেলাপি ঋণের চাপ সামাল দিতে ঋণ আদায়ে বিভিন্ন উদ্যোগও নিয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। দুই হাজার ২৩৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা বকেয়া ঋণ আদায়ে নাসা গ্রুপ ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংকটি।
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ১২(৩) অনুযায়ী ব্যাংকের গুলশান শাখা এ লক্ষ্যে ছয়টি বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে বিক্রির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এসব প্রতিষ্ঠান এলসি, এলটিআর, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, ওভারড্রাফটসহ বিভিন্ন ধরনের ঋণ সুবিধা নিয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে এসব ঋণ সুবিধা নবায়ন, পুনর্গঠন ও পুনঃতফসিল করা হলেও শেষ পর্যন্ত ঋণ পরিশোধের পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ব্যাংক আইনগত প্রক্রিয়ায় বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।
নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা ও গাজীপুরে অবস্থিত বেশ কয়েকটি মূল্যবান বন্ধকি সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া ঋণের একটি অংশ আদায়ের চেষ্টা করছে ব্যাংক।
ন্যাশনাল ব্যাংক বর্তমানে উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ কমানো এবং তারল্য সংকট মোকাবিলায় পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকের বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ হিসাবগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বারবার বদলেছে পরিচালনা পর্ষদ ও নেতৃত্ব
ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিকবার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন করেছে। শীর্ষ নেতৃত্বেও বারবার পরিবর্তন এসেছে। নতুন ব্যবস্থাপনা দায়িত্ব নিলেও আস্থার সংকট ও আর্থিক ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব্যাংকটি।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেও পরিবর্তন আসে। এরপর ব্যাংকটির পুরো কর্তৃত্ব চলে যায় সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদারের কাছে। স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যাংকটির পর্ষদে যুক্ত করে ২০২৪ সালের আগপর্যন্ত সিকদার পরিবার ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বছরের পর বছর পর্যাপ্ত মূলধন ছাড়াই দেশের অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, মূলত শিকদার গ্রুপের যোগসাজশে বিভিন্ন গ্রুপ নানা সময়ে ব্যাংকটি থেকে অর্থ বের করে নিয়ে যায়। ঋণ নেওয়া হলেও সেই অর্থ আর ব্যাংকে ফেরত আসেনি। এতে ধীরে ধীরে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকে। একসময় ব্যাংকটি বড় ধরনের প্রভিশন ও মূলধন ঘাটতিতে পড়ে।
বেসরকারি খাতের প্রথম প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর একটি ন্যাশনাল ব্যাংক। ১৯৮৩ সালে কার্যক্রম শুরু করা এ ব্যাংকের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আজিজুর রহমান মল্লিক। ব্যাংকটিতে তাঁর কোনো শেয়ার না থাকার পরও উদ্যোক্তারা তাঁকে শুরুতে ১০ বছর চেয়ারম্যান পদে রেখেছিলেন। এরপর শেয়ারধারীরা ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন।
তখন ভালো ব্যাংক হিসেবেই ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচিতি ছিল। তবে ২০০৯ সালে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। ওই বছর ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন জয়নুল হক সিকদার। এরপর অন্য উদ্যোক্তারা ব্যাংকটি ছাড়তে একরকম ‘বাধ্য’ হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর থেকেই ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার অবনতি শুরু হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সময়ে সিকদার পরিবারের ব্যবসা ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি বিমা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন, নির্মাণ, হোটেল, পর্যটন ও এভিয়েশনসহ বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত হয়।
বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও গ্রুপটির ব্যবসা বিস্তৃত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডসহ আরও কিছু দেশে অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে।
সব মিলিয়ে বিপুল খেলাপি ঋণ, প্রভিশন ও মূলধন ঘাটতি, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে না পারা এবং দীর্ঘদিনের সুশাসনের দুর্বলতায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা সাময়িকভাবে চাপ কমালেও ব্যাংকটির মৌলিক আর্থিক ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে সংকট থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবিনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ঢাকাওয়াচ কে বলেন, ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তার ওপর নির্ভর করলে হবে না। ব্যাংককে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে খেলাপি ঋণ আদায়ের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। খেলাপি গ্রাহকদের কাছ থেকে ঋণের অর্থ আদায় করতে পারলেই ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থের প্রবাহ বাড়বে এবং আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনের চাহিদা পূরণ করা সহজ হবে।
উল্লেখ্য, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাংকটির শেয়ারদর ও বাজার মূলধন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বর্তমানে ব্যাংকটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।