
কমনওয়েলথের ২৬তম পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রীদের সভায় (সিএফএএমএম) যোগ দিতে পাঁচ দিনের সফরে লন্ডন যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির। আগামী ৬ মার্চ তারা লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হবেন।
৮ মার্চ লন্ডনের ল্যানকেস্টার হাউজে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে তারা অংশ নেবেন। একই বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-এরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকের সাইডলাইনে তাদের মধ্যে সম্ভাব্য সাক্ষাৎ হতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে সম্ভাব্য এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বন্ধ থাকা ভিসা ইস্যুতে ভারতের পক্ষ থেকে একটি ইতিবাচক বার্তা আসতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক সাইডলাইন বৈঠক করবেন। আগামী ১০ মার্চ তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এদিকে দিল্লিতে আয়োজিত রায়সিনা সংলাপ-এ আমন্ত্রিত হলেও সেখানে অংশ নিচ্ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
২৬তম কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রীদের সভা (সিএফএএমএম) ৮ মার্চ স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। বৈঠকের শুরুতে সামোয়ার অর্থমন্ত্রী মুলিপোলা আনারোসা আলে মোলিও বক্তব্য রাখবেন। এরপর কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে বক্তব্য দেবেন।
দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে কমনওয়েলথের ভূমিকা নির্ধারণ এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি মহাসচিব বোচওয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় বৈঠক।
সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৯ মার্চ লন্ডনের মার্লবোরো হাউজে আয়োজিত কমনওয়েলথ দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনে ব্রিটেনের রাজপরিবার, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিয়ে থাকেন।