
ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিশেষ নজরদারি জোরদার করেছে সরকার। সম্ভাব্য যানজট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ২৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা মানুষ যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “ঈদের ছুটিতে যারা বাড়িতে যাবেন তারা যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিতে যাতায়াতটা করতে পারেন তার জন্য সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাস্তবে রাস্তায় সেটা প্রয়োগ হচ্ছে কি-না, সেটি সারা দেশে ঘুরে ঘুরে দেখছি। কাল থেকে সড়কে গাড়ির চাপ বাড়লেও কোন সমস্যা হবে না।”
তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য যানজট মোকাবিলায় সারা দেশের ২৬০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে সেখানে হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ এবং সড়ক বিভাগের সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে।
গণপরিবহনে জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “গত রাত থেকে গণপরিবহনে পর্যাপ্ত তেল দেয়া হচ্ছে। কোথাও সংকট নেই। কোথাও কোথাও অভিযোগ পাচ্ছি, সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধান করা হচ্ছে।”
ঈদকে ঘিরে সড়ক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের আগে ও পরে মোট আটদিন সড়কে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে এবং সড়ক বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এবং পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।