
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার শিগগিরই খুলছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধন এবং নতুন নিয়োগ কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলায় শ্রমবাজার চালু হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।
বর্তমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর আগে প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন না হলে নতুন করে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে হবে, যা দীর্ঘ সময়ের বিষয় হতে পারে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকালে বাংলাদেশ বিদ্যমান এমওইউ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়। সফরের সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি) গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ওয়ার্কিং গ্রুপের দায়িত্ব হবে বর্তমান সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করা এবং দুই দেশের বর্তমান বাস্তবতা ও প্রয়োজনের আলোকে একটি নতুন কাঠামো প্রণয়নের সুপারিশ করা।
দুই দেশই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী করার বিষয়ে একমত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরকে ঘিরেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। যদিও তিস্তা মহাপরিকল্পনা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির তালিকায় নেই, তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
সূত্রগুলোর মতে, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আঞ্চলিক কৌশলগত হিসাব-নিকাশ রয়েছে। তবে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এবং তিস্তা প্রকল্প—উভয় ইস্যুই বর্তমানে নীতিনির্ধারক, কূটনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে।
বিবিসি