
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ৯টি আসনের ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন দুপুর পর্যন্ত এসব মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তথ্য পাওয়া গেছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার বিভিন্ন আসনে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা স্বেচ্ছায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণসংহতি আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দলের প্রার্থী।
ইসি সূত্র জানায়, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫—এই ৯টি আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে এসব প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়।
এদিকে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের তারিখ বুধবার (২১ জানুয়ারি)। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে।
তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার সংক্রান্ত আইন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’-এর ১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বৈধভাবে মনোনীত কোনো প্রার্থী নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নিজে অথবা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত নোটিশ প্রদান করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন।
এছাড়া কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচনী এলাকায় একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিলে, দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন নির্ধারণ করতে হয়। সেক্ষেত্রে অন্যান্য মনোনীতরা প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হন না।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য লিখিত নোটিশ প্রদান বা রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার পর তা আর বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।