
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের ভূমিকায় আসার পর জামায়াত-শিবিরের আচরণে আওয়ামী লীগের বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন বলেন, কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করে জামায়াত-শিবির দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পেশিশক্তির প্রদর্শন করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতকে মজলুম ও বিনয়ী হিসেবে দেখা গেলেও বর্তমানে প্রধান বিরোধী দলের অবস্থানে গিয়ে দলটি আওয়ামী লীগের সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে। ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের কোনো ন্যূনতম জায়গা থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের কর্মকাণ্ডের ভয়াবহতা সম্পর্কে এখন দলটির নেতাকর্মীরা সচেতন হয়েছেন। দেশজুড়ে তাদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে তিনি সাধুবাদ জানান।
জামায়াত এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তার দাবি, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং ফ্যাসিবাদের পতনে দল হিসেবে জামায়াতের তুলনায় গণঅধিকার পরিষদের অবদান বেশি।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ‘জামায়াত যখন গুপ্ত রাজনীতিতে ছিল, তখন গণঅধিকার পরিষদ রাজপথে ছিল।’
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তিনি জামায়াত-শিবিরকে ‘জালিম সংগঠন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।