
চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই হয়েছিল বলে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা প্রস্তুত ছিলেন। তদন্ত কমিটির সদস্যদের মতে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশ নেওয়া উচিত ছিল।
চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হয় সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছে আবেদন করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি আইসিসি।
এরপর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। সে সময়ের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হুমকির পর বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ওই ঘটনার পর ভারতে বাংলাদেশের ক্রিকেটার, কোচ, কর্মকর্তা এবং বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। তবে আইসিসি সেই উদ্বেগকে গুরুত্ব দেয়নি।
পরবর্তীতে বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।
গত মার্চে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এরই ধারাবাহিকতায় মে মাসে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।