
ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি কোন বিদেশি শক্তি তাদের সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করে, তবে তারা ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক স্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোতে হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে। বুধবার (৪ মার্চ) দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরানিয়ান স্টুডেন্ট’স নিউজ এজেন্সি এই খবর প্রকাশ করেছে।
সংস্থার বরাত দিয়ে এক সিনিয়র ইরানি সামরিক কর্মকর্তা বলেন, “ইরানের সরকারকে উৎখাত করার উদ্দেশ্যে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বা ষড়যন্ত্র হলে তেহরান কঠোর ও দৃঢ় জবাব দেবে।” তিনি বিশেষভাবে ইসরায়েলের ডিমোনা নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করে বলেন, “যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে রক্ষার জন্য ইরান প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমন প্রতিক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিদেশি শক্তিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে বাধা দেওয়া। ওই কর্মকর্তা বলেন, “এটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা; সরকার পরিবর্তনের যে কোনো চেষ্টা শক্ত ও পরিকল্পিত প্রতিশোধের মুখে পড়বে।”
অন্যদিকে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা রাতের দিকে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা তেহরানে সামরিক অবকাঠামো ও নিরাপত্তা কমান্ড সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও কেরামানশাহ শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে, এবং তাবরিজ ও ইয়াজদ শহরের আবাসিক এলাকায় বোমা পড়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনের এই হামলার ফলে নিহত ও আহতের সংখ্যা ১,০৪৫ ছাড়িয়েছে।