
কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং তাদের জীবনযাত্রা সমৃদ্ধ করা হচ্ছে কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য, বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যানমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে দেশের সব কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং এটি ধীরে ধীরে প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের মতো সম্প্রসারিত হবে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, কৃষি অফিস চত্বরে বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "পাট একসময় আমাদের গর্ব ছিল কিন্তু সেই পাট যেকোনো ভাবেই হোক অবহেলা বা আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত না থাকার কারণে পাট চাষ দুর্বল হয়েছে। কাজেই আমরা পাটের যে হারানো গৌরব সেটা ফেরত আনতে চাই। সেজন্য কৃষকদের আরও বেশি উৎসাহিত করতে চাই পাট চাষে। পাট যত বেশি উৎপাদিত হবে সেটা আমাদের দেশের জিডিপিতে ও পরিবেশে একটা মারাত্মক পজিটিভ ভূমিকা রাখবে।"
অনুষ্ঠানে ৮শ জন কৃষককে ৫ কেজি করে আউশধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ২০ জন কৃষককে ১ কেজি করে পাট বীজ এবং ৫ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।