
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের নিজস্ব প্রবিধানমালা অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকারের সীমাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন মাপকাঠি স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে পারবে। প্রযোজ্য আইন, নীতিমালা এবং বাজার পরিচালনার প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ আইনগত এখতিয়ার স্টক এক্সচেঞ্জ দুটির কাছেই থাকবে।
এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে ২০২১ সালের ১৭ জুন জারি করা কমিশনের আগের আদেশ বাতিল করা হয়েছে। ফলে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শেয়ারের দাম কতটুকু ওঠানামা করতে পারবে, সেই সীমা নির্ধারণের দায়িত্ব আবারও স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওপর ন্যস্ত হলো।
একই সভায় বে মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড পরিচালনায়ও নতুন সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সম্পদ ব্যবস্থাপকের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের সামগ্রিক স্বার্থ বিবেচনায় ট্রাস্টি চাইলে অর্থবছর শেষে অর্জিত আয় লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ না করে সংশ্লিষ্ট ফান্ডে পুনঃবিনিয়োগের অনুমোদন দিতে পারবেন।