
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিক ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়েছে। সেখানে উপস্থিত প্রিজাইডিং অফিসারকে 'জামায়াত আমির' হিসেবে উল্লেখ করে এ গুজব ছড়ানো হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, ব্যালটসহ জামায়াতে ইসলামের নারী-পুরুষ তিনজনকে নাশকতার প্রস্তুতি অবস্থায় আটক করা হয়েছে এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। ভিডিও ক্যাপশনে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলে বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ডি এইচ বাবুল উপস্থিত ছিলেন এবং কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে ‘জামায়াতের আমির’ আখ্যা দেওয়া হয়।
তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন। ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার বশির উল্লাহ সানারপাড় রওশন আরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরী জানান, “যাদের নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তারা পোলিং এজেন্টের নিয়োগপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করছিলেন। এখানে কোনো বাইরের ব্যক্তি ছিলেন না এবং কোনো দলীয় আলোচনা বা রাজনৈতিক কার্যক্রম হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, প্রিজাইডিং অফিসার বশির উল্লাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ীই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। “তার কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি,” জানান শাহীনা ইসলাম।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যালটের সংখ্যা ও ভোটারের তালিকার মিল যাচাই করা হচ্ছিল। এটি ভোট গ্রহণের আগে নিয়মিত ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, “এই সময় কিছু বহিরাগত ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন, তবে তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”