
দুই আসনের নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ চিঠি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৯ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন প্রসঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানান, উপ-নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মো. রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এক প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত হন। তবে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ আসনেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এক প্রার্থী কাঁচি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময় শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে পুনরায় নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।