
বগুড়ার পৈতৃক আসনের পর এবার ঢাকা-১৭ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথে এগোচ্ছেন তিনি, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন কৌতূহল তৈরি করেছে।
রোববার ২৮ ডিসেম্বর সকালে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তার একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এই মনোনয়নপত্র তোলা হয়। গুলশান ও বনানী নিয়ে গঠিত অভিজাত ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শীর্ষ নেতার সম্ভাব্য অংশগ্রহণের খবরে রাজনৈতিক মহলে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
একই সঙ্গে তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ভোটার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কমিশন সূত্র জানায়, আজ বিকেলের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সভায় অনুমোদন মিললে তারা গুলশান এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য তাদের হাতে থাকবে মাত্র একদিন সময়।
বগুড়ার পর ঢাকা-১৭ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের খবরে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে বাড়তি উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই গুরুত্বপূর্ণ আসনে তারেক রহমানের শক্ত অবস্থান নির্বাচনী মাঠে বিএনপিকে কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে নিতে পারে। এখন সবার দৃষ্টি নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের দিকে, যা সম্পন্ন হলে তার সংসদ নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণের পরবর্তী ধাপ স্পষ্ট হবে।
এদিকে বিএনপির অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ঢাকা-১৭ নয়, বরং ভোলা-১ আসন থেকে জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।