
নির্বাচনী সমঝোতার আওতায় থাকা বাকি তিনটি আসনে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্য দিয়ে জোটভুক্ত ৩০টি আসনের জন্য এনসিপির প্রার্থী তালিকা সম্পূর্ণ হলো।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এনসিপির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম। তিনি জানান, নেত্রকোনা–২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার–৪ আসনে প্রীতম দাশ এবং রাজবাড়ী–২ আসনে জামিল হিজাযী এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর আগে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনের প্রার্থীদের নাম ও ছবি সম্বলিত পোস্টার প্রকাশ করা হয়। পোস্টারগুলোতে এনসিপির নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’তে ভোট প্রার্থনা করা হয়।
ঘোষিত তালিকায় উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আসনে প্রার্থীরা হলেন—ঢাকা–১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর–৪ আসনে সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা–৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড়–১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা–৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং নোয়াখালী–৬ আসনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।
এ ছাড়া ঢাকা–৯, ঢাকা–১৮, ঢাকা–১৯, ঢাকা–২০, নারায়ণগঞ্জ–৪, মুন্সিগঞ্জ–২, লক্ষ্মীপুর–১, সিরাজগঞ্জ–৬, নরসিংদী–২, বান্দরবান, চট্টগ্রাম–৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ ও ৩, দিনাজপুর–৫, নোয়াখালী–২, কুড়িগ্রাম–২, ময়মনসিংহ–১১, টাঙ্গাইল–৩, গাজীপুর–২, পিরোজপুর–৩ ও নাটোর–৩ আসনেও এনসিপির প্রার্থীরা ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয়। জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি জোটে না থেকে ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় এবং অবশিষ্ট ৩২টি আসনে অন্যান্য দলকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে এনসিপি ৩০টি আসনে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। যদিও দলটির পক্ষ থেকে মোট ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট থেকে সরে যাওয়ার পর এনসিপি আসন সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আলোচনা চালায়।