
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়নপত্র সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। মাত্র তিন দিনেই প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০০টি মনোনয়নপত্র ইতোমধ্যে জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
রাজধানীর নয়াপল্টন-এ অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। বিভিন্ন পর্যায়ের নারী নেত্রীর পাশাপাশি শিক্ষক, আইনজীবী, শিল্পীসহ নানা পেশার নারীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশীরা জানান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকে যারা গ্রেফতার, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দল তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে বলে তারা আশা করছেন। নির্বাচিত হলে সংসদে নারীর অধিকার, গণতন্ত্র এবং জনগণের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।
এবার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। পাশাপাশি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অফেরতযোগ্য জামানত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা মোট ৫০টি। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনের নিয়মে বিএনপি জোট পাবে ৩৬টি আসন, জামায়াত জোট পাবে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র সদস্যদের জন্য থাকবে ১টি আসন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল, নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।