.jpg)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিতে আকস্মিক পরিবর্তন—দুই সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগে প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
জানা গেছে, এই দুই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর সুপারিশে গ্রহণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, মো. বজলুর রহমান এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। তবে সে সময় প্রশাসন তা অনুমোদন করেনি। চিঠিতে তিনি বিভাগের একাডেমিক কাজের চাপের কথা উল্লেখ করেন। পরে তিনি আবারও জানান, অতিরিক্ত একাডেমিক দায়িত্বের কারণে সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে কানাডায় যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, প্রক্টরিয়াল বডির একমাত্র নারী সদস্য ড. পারভীন আক্তার শারীরিক অসুস্থতা, পারিবারিক ব্যস্ততা এবং ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে রোববার (২৯ মার্চ) পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগের বিষয়ে মো. বজলুর রহমান বলেন, “আমি ১ মার্চ থেকে প্রক্টরিয়াল বডির কোনো অফিশিয়াল কাজ করছি না। বিভাগীয় ও গবেষণা কাজের ব্যস্ততার কারণেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। পদত্যাগপত্র প্রক্টরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা গ্রহণ করেছেন।”
প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “দুই সহকারী প্রক্টর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবগত আছে। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, শূন্য হওয়া দুটি পদে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমার কাছে আজকে তাদের পদত্যাগপত্র এসে পৌঁছেছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের পদত্যাগের বিষয়টি উপাচার্যকে অবহিত করা হবে।”