.jpeg)
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) নির্বাচনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও দেখা মেলেনি তফসিলের। শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্রাকসুর তাফসিল সচল করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দাবি জানায়, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুমকিও দেন তারা।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায় প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ পাশে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বড় পরিতাপের বিষয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে "শিক্ষার্থী সংসদের কল্যাণ তহবিল" নামে শিক্ষার্থীদের থেকে প্রতিবছর বিপুল অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে যার ব্যয়ের কোন সুস্পষ্ট তথ্য বিগত প্রশাসনের কাছে নেই।

নির্বাচন আয়োজনের নামে চতুরতা করে বিভিন্নভাবে নির্বাচনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনে কালবিলম্ব, ক্ষণে ক্ষণে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ, হঠাৎ তফসিল স্থগিতকরণ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে টালবাহানা, নির্বাচনের তারিখ পেছানো, সর্বশেষ ডোপ টেস্ট ও মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করে। প্রচারণায় অংশ নিয়ে পদ প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে কিন্তু হঠাৎ তফসিল স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা স্পষ্টত শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার শামিল।
এসময় তারা আরও বলেন, আমরা দৃঢ়চিত্তে ঘোষণা করছি যে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ এর তফসিল চালু করে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলে নির্ধারিত আল্টিমেটাম পেরিয়ে গেলে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে প্রশাসনের প্রতারণার কঠোর জবাব শিক্ষার্থীরা দিতে বাধ্য হবে।
এসময় রাইসুর ফারিদ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি, অনিয়ম করে পদোন্নতি সবই হচ্ছে, শুধু হচ্ছেনা ৭৫ একরের প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি ব্রাকসু। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন একজনও কি শিক্ষক নেই, যিনি একটি নির্বাচন পরিচালনা করার মতো ক্ষমতা রাখেন? তাহলে সেটি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পুরো জাতির সামনে তুলে ধরুন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন কমিশনার হওয়ার মতো।একজন যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক নেই।
উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদের তফসিল মোট ৫ বার স্থগিত করা হয় বিভিন্ন কারণে।