সেই ইউপি সদস্য সালামের দাবি, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্য কৃষক লীগ বানানো হয়েছে’
- পাবনা প্রতিনিধি
- প্রকাশঃ ০১:৩৩ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার আলোচিত সেই বিলচলন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ওয়ার্ড সদস্য আব্দুস সালামের দাবি, ‘আমি কখনও কোন দিন কৃষক লীগের সাথে জড়িত ছিলাম না। আমি ও আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। সম্প্রতি আমাকে বিলচলন ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এরপর থেকেই আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ নানা অপপ্রচার শুরু হয়েছে। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে কৃষকলীগ বানিয়েছে।’
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাটমোহর প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমি একজন ইউপির ওয়ার্ড সদস্য হিসেবে ইউপির চেয়ারম্যানের সাথে যেতেই পারি। তাই বলে আমি আওয়ামী লীগ বা কৃষকলীগ হয়ে যাইনি। এসব নিয়ে পত্র-পত্রিকা ও ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে, আমি কৃষকলীগ করতাম, এখন তাঁতীদলের সভাপতি। কৃষক লীগের সাথে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। কোন কমিটিতে আমার নাম থাকলে,সেটা আমার জানা নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্যই এ ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। বিধায় তাঁতীদলের সভাপতি হিসেবে আমাকে বিলচলন ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি বিগত ২০১৪ সালে বিলচলন ইউনিয়ন কৃষকদলের সক্রিয় সদস্য ছিলাম। আমার ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্যই এ ধরণের অপপ্রচার চলছে। আমি এসকল ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস সালাম চাটমোহর উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানের প্রত্যায়নপত্র উপস্থাপন করেন। সেখানে কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বলেছেন, ’আব্দুস সালাম কখনো কৃষকলীগ করেননি। কৃষক লীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না।’
সংবাদ সম্মেলনে ইউপির সাবেক ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন, বিএনপির নেতা আকতার আলী, তাঁতীদলের নেতা আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, চাটমোহর উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য সালাম তাঁতীদলের বিলচলন ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি-সম্প্রতি এমন বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।