
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত হিসেবে নাম এসেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ও ইউপি সচিব নাদির আলমের।
লুটেরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহিদুল ইসলাম গাফফার ফেসবুকে একটি পোস্টে অভিযোগ তোলেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, “চেয়ারম্যান ও সচিব প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সদস্যদের জানানো ছাড়া কাজের টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত করেছেন।” তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও জানতেন না কবে বা কীভাবে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
জানা গেছে, লুটেরচর হাইওয়ে রাস্তা থেকে ফয়েজ উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা মেরামতের জন্য কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের সভাপতি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম গাফফার এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত নারী সদস্য সুলতানা পারভীন। তবে তারা জানিয়েছেন, “আমাদের কেবল সই করতে বলা হয়েছিল; টাকা উত্তোলনের বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি।”
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেছি। বরাদ্দকৃত টাকার চেয়েও বেশি কাজ করা হয়েছে। তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফখর উদ্দিন রাজী বলেন, “প্রকল্পের সভাপতির স্বাক্ষরের ভিত্তিতে কাজ দেখিয়ে বিল প্রদান করা হয়েছে। এরপর কী হয়েছে, তা আমি বলতে পারি না।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।