
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সশস্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আঞ্চলিক দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ)-এর পোস্ট কমান্ডার জিমিত চাকমা গুরুতর আহত হন।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে সিন্ধুকছড়ি জোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে সিন্ধুকছড়ি সেনা টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় জিমিত চাকমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি খালি কার্তুজ, একটি প্রিন্টার, একটি লেমিনেটিং মেশিন, ইউপিডিএফের পতাকা ও ব্যানার, ইউপিডিএফের বিভিন্ন বই ও প্রকাশনা, চাঁদা আদায়-সংক্রান্ত রেজিস্টার ও অন্যান্য নথিপত্র এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ধুকছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসমাইল সামস আজিজি।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, আটক জিমিত চাকমা গত বছর খাগড়াছড়িতে সংঘটিত ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ও সংগঠক ছিলেন। এছাড়া তিনি বহুল আলোচিত রামসু বাজার সহিংসতা এবং তিনজন উপজাতি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আহত জিমিত চাকমাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খাগড়াছড়ির গুইমারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়ার্দী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সেনাবাহিনীর হস্তান্তর করা ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।