
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসা ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একদিনে কুকুরের কামড়ে এত রোগী হাসপাতালে আসেননি।
তিনি আরও বলেন, কুকুরের কামড়ের পর ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট প্রবাহমান পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যেতে হবে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নকলা পৌরসভার সরবরাহ করা এআরভি (অ্যান্টি-রেবিস) ভ্যাকসিন হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে এবং আহতদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসার প্রয়োজনে বাইরে থেকে কোনো ওষুধ কিনতে হলে সে ক্ষেত্রেও নকলা পৌরসভা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে।