
ন্যায্যমূল্যের আটার বরাদ্দে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগে আলোচনায় আসা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, কালাই উপজেলায় প্রতিদিন ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য দুই টন আটা ও দুই টন চাল বরাদ্দ থাকে। এ কর্মসূচির আওতায় একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন দুই টন আটার বিপরীতে বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে অনেক ক্রেতা চাল পেলেও বরাদ্দের আটা থেকে বঞ্চিত হতেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ বলেন, ‘এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা, কয় টন বরাদ্দ, এতদিন পর আসছে। সবাই মিলেমিশে খাই। এখানে তেমন কিছু নাই। যা হবে ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলেমিশে খামু। আর আপনারা যদি কন বন্ধ করে দিতে, কালকে থেকে বন্ধ করে দিমু।’
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বুধবার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।