
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের বাউলশিল্পী পেহেলি ভৈরবীও রয়েছেন।
ওসমানী মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজা ও তিতন (২২) মারা গেছেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আরও সাতজন।
ঘটনাস্থলে নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন কিশোরগঞ্জের ঢুলিয়ারপাড়ের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাজী শফিক উদ্দিনের ছেলে হাজী মঈনুল ইসলাম (৫৫) এবং সিলেট নগরীর সোবহানিঘাট এলাকার বাসিন্দা প্রীতম দাশ (২২)।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের এসপি রেজাউল করিম জানান, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং ওভারটেকিংয়ের প্রবণতাই ওসমানীনগরের এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এতে তিন বছরের শিশুসহ নয়জনের প্রাণ গেছে।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় সাতজন ঘটনাস্থলে এবং একজন ওসমানী হাসপাতালে মারা গেছেন।
এদিকে ওসমানীনগরের সাংবাদিক কয়েস আহমদ জানান, পুলিশ তাকে জানিয়েছে দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের বাউলশিল্পী পেহেলি ভৈরবীও নিহত হয়েছেন। বেলা আড়াইটায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও তালিকা তৈরির কাজ চলছিল।