.jpg)
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের আট দিন পর মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের জারুতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারীসহ ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত বিল্লাল হোসেন (৪২) ওই এলাকার মৃত জুলহাস উদ্দিনের ছেলে। তিনি ধান-চালের ব্যবসা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট বিল্লাল হোসেন নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ঝিনাইগাতী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বুধবার দুপুরে জারুতলা গ্রামের একটি খালের পাশে মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন দুর্গন্ধ পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খালের পাশের মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখা অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, বিল্লাল হোসেনের সাথে একই এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে, ওই সম্পর্কের সাথে তার নিখোঁজ হওয়া বা মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুর মহাম্মদ বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
জেলা পুলিশ সুপার এ,কে,এম জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নারীসহ ১৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার সাথে কারা জড়িত এবং কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।