মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক তিন এমডিসহ ২৬ কর্মকর্তার নামে দুদকের মামলা
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশঃ ০৫:৩৯ পিএম, ০৭ জানুয়ারী ২০২৫

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের দিলকুশা শাখা থেকে সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও পাঁচ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও ঋণ গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভুয়া মর্টগেজ তথ্য দিয়ে ঋণ অনুমোদনের প্রস্তাব করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
সোমবার (৭ জানুয়ারি) দুদকের একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক এমডি দেওয়ান মুজিবুর রহমান, মো. এহসানুল হক এবং একেএম শহিদুল হক; সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল চৌধুরী, মোহাম্মদ মাসুম, গাউস উল ওয়ারা, মো. মোর্তজা, মু. মাহমুদ আলম চৌধুরী ও মতিউল হাসান; সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ ও ম্যানেজার অপারেশন প্রতাপ কুমার দেশমুখ্য; অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ লুৎফল হক প্রবাল; সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবদুস সালাম, ফয়সাল আহসান চৌধুরী; সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট চৌধুরী মোস্তাক আহমেদ; কামরুল ইসলাম চৌধুরী; মো. রবিউল ইসলাম; সাবেক ফার্স্ট এভিপি শামীম আহমেদ; সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নজরুল হোসেন; এফএভিপি এএসএম কামাল হোসেন; সাইফুদ্দিন ভূঁইয়া সোয়েব; সাবেক ভিপি মইনুল ইসলাম এবং মো. শাফায়েত ওয়াহেদ; সাবেক এসভিপি মো. ফারুক আহমেদ, মো. অলিউল্লাহ, মো. জামাল হোসেন; সাবেক এসইভিপি নন্দ দুলাল ভট্টাচার্য্য; সাবেক এভিপি জাহিদুল আলম চৌধুরী ও ঋণ গ্রহীতা আখতার হোসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করার মাধ্যমে ঋণ প্রস্তাব, ইসি মেমো ও ঋণ মঞ্জুরিপত্রে ভুয়া মর্টগেজ তথ্য দেন। ঋণ বিতরণের সময় কোন বন্ধকি দলিল বা আমমোক্তার দলিল সম্পাদন না করে সাড়ে চার কোটি টাকার ঋণ প্রস্তাব করে। পরে তা পরিচালনা পর্ষদ থেকে অনুমোদন পেয়ে ঋণ মঞ্জুরিপত্র ইস্যু ও ঋণ বিতরণ করা হয়। তবে ঋণ বিতরণের পর এক বার পুন:তফসিলিকরণও হয়েছে এবং ব্যাংকিং বিধি বহির্ভূত সুবিধা নিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে পেনাল কোড, ১৮৬০’-এর ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারার সাথে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭’-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’