সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারেই মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় উভয় বাজারের প্রধান সূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় লেনদেন শেষ হয়। তবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় দুই বাজারেই লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
দিনের শুরু থেকেই ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত এ ধারা বজায় থাকায় ১৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এর প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৯২ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
মূল্যসূচক বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। সোমবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা কম।
ডিএসইতে সর্বোচ্চ ৩৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে মালেক স্পিনিংয়ের। এরপর রয়েছে বেক্সিমকো এবং সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট। লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় আরও ছিল ড্রাগন সোয়েটার, আইটি কনসালট্যান্টস, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক ও জেনেক্স ইনফোসিস।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বাজারটির সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৩ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ২৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে সিএসইতেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এদিন বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।