
ইরানের সামরিক সংস্থা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, দেশটি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত এবং এই উদ্দেশ্যে কিছু নতুন অস্ত্র আগে থেকেই সংরক্ষণ করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। এজন্য নতুন অস্ত্রও আমরা আলাদাভাবে তুলে রেখেছি। সেসব এখনও বড় মাত্রায় ব্যবহার করা হয়নি। নতুন অস্ত্রগুলো শত্রুদের গুরুতর এবং যন্ত্রণাদায়ক প্রত্যাঘাত করবে। বর্তমানে সেগুলো পাইপলাইনে আছে, যথাসময়ে ব্যবহার করা হবে।”
এই ঘোষণা ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘খাইবার’ নিক্ষেপের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আসে।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলা সংলাপ ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনও সমঝোতা ছাড়া এই আলোচনার সমাপ্তি ঘটে।
এরপরের দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শিরোনামে দেশে সামরিক অভিযান চালায়।
গত সাত দিন ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে ইরান হামলার জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি উল্লেখ করেন, “২০২৫ সালের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত হয়েছিল। সেই সময়ের তুলনায় এবারের যুদ্ধে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ এবং প্রস্তুত।”
সূত্র: আল জাজিরা