
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বৃহত্তম তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হামলার জবাবে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে জানানো হয়, খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, তাদের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যদি আরও হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানি ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে।
ইরানের সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সও একই তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন বাহিনী বোমা হামলা চালিয়েছে।
খারগ দ্বীপটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ, যার দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ মাইল। যদিও দ্বীপটিতে জনবসতি খুবই সীমিত, তবে ইরানের অর্থনীতির জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
কারণ, দেশটির রপ্তানিকৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়। ফলে এই স্থাপনাকে কেন্দ্র করে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা বৈশ্বিক তেলের বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।