
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রার্থিতাকে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরায়েল, পাকিস্তান এবং কম্বোডিয়া-এর নেতারা।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রস্তাব পাওয়ায় ট্রাম্প এবার সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থীদের একজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
এদিকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, চলতি বছরে মোট ২৮৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা রয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া কমিটির নতুন সচিব ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন মনোনয়নের বৈচিত্র্য দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
হার্পভিকেন বলেন, "আমি এই কাজে নতুন। প্রতি বছর এই তালিকায় যে পরিমাণ নতুনত্বের দেখা মেলে, তা আমাকে অবাক করেছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি পুরস্কারের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।"
এদিকে লার্স হাল্টব্রেকেন আর্কটিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টার জন্য গ্রিনল্যান্ডিক-ড্যানিশ পার্লামেন্ট সদস্য আজা কেমনিটজ এবং মার্কিন সিনেটর লিসা মারকোভস্কি-কে মনোনীত করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "তারা দীর্ঘ সময় ধরে আর্টিক অঞ্চলে আস্থা তৈরি এবং শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন।"
এবারের আলোচিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আরও রয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, মলদোভারের প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু, জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ।
প্রথা অনুযায়ী, নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন তালিকা দীর্ঘ সময় গোপন রাখা হয়। তবে আগামী ৯ অক্টোবর বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। পরে ১০ ডিসেম্বর ওসলো-তে আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হবে।