
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও স্মরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আবেগ ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে এই আয়োজন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার দাবিও আরও জোরালো হয়ে উঠতে পারে।
তেহরানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি এ বিষয়ে এমন মন্তব্য করেছেন।
শুক্রবার সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জানাজা ও স্মরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক স্লোগান হলো—‘আমাদের জেগে উঠতে হবে’। তার মতে, এই স্লোগানের মাধ্যমে ইরান স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পরও দেশটির নীতি, অবস্থান ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
আসলানি বলেন, সাধারণ ইরানিদের জন্য এই অনুষ্ঠান শুধু একজন নেতাকে শেষ বিদায় জানানোর আয়োজন নয়, বরং এটি একটি আবেগঘন জাতীয় মুহূর্ত। একই সঙ্গে এই সমাবেশে হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিশোধের দাবিও জোরালোভাবে সামনে আসতে পারে।
প্রয়াত নেতার ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ও বহিরাগত চাপ মোকাবিলায় খামেনি ছিলেন ইরানের অন্যতম দৃঢ় নেতৃত্ব। দেশটির প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তার ভাষায়, ইরানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম অবস্থান রক্ষার ক্ষেত্রে খামেনির অবদান দীর্ঘদিন স্মরণ করা হবে।