
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন লাখো শোকাহত মানুষ। তবে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতারের সহযোগী অধ্যাপক পল মুসগ্রাভ শনিবার আল জাজিরাকে বলেন, মোজতবার অনুপস্থিতির পেছনে মূল কারণ নিরাপত্তা উদ্বেগ।
তার ভাষায়, ইরানি কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এমন বড় সমাবেশে ইসরায়েল নতুন করে হামলার চেষ্টা করতে পারে। অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে এমন শঙ্কাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে মুসগ্রাভের মতে, দীর্ঘ সময় জনসমক্ষে না থাকায় দেশের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতার প্রকাশ্যে আসাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে মোজতবা খামেনিকে খুব কমই জনসমক্ষে দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য এমন একটি বার্তা দেওয়া জরুরি যে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি নন, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দৃশ্যমান একজন নেতৃত্ব।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা উদ্বেগকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন এই বিশ্লেষক।
এরই মধ্যে বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শনিবার তার মরদেহবাহী কফিন সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। হাজারো মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান।