
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ব্যালিস্টিক, ক্রুজ ও হাইপারসনিক মিসাইলের পাশাপাশি হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ১৬৮টি ড্রোন। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং আরও ৩৩ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থা হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় রাশিয়া কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক, ক্রুজ ও হাইপারসনিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এর সঙ্গে ছিল ১৬৮টি ড্রোন। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ১৪৫টি ড্রোন এবং অধিকাংশ ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস বা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। তবে কোনো ব্যালিস্টিক মিসাইল ঠেকানো যায়নি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় এই হামলায় এত প্রাণহানি ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলোর কাছে আরও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
এদিকে কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেন, “আমাদের গোলাবারুদ, মিসাইল প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং মিত্রদের কাছ থেকে সহায়তা প্রয়োজন।”
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থা জানিয়েছে, রাতের হামলায় শিশুদের একটি হাসপাতাল ও একটি স্কুলও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলায় দুই স্থাপনাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিতে ভুগছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক মিসাইল মোকাবিলায় শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন হওয়ায় এ ঘাটতি দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের মাত্র পাঁচ শতাংশ দিলেও রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।