
যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদান থেকে পালিয়ে লিবিয়া হয়ে সমুদ্রপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় নৌকাডুবিতে ৩৭ সুদানি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক উদ্ধার ও সহায়তা কমিটির বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আনাদুলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সুদানের নাগরিক কমিটি এল-ফাশার রেজিস্ট্যান্স কোঅর্ডিনেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং পুরো পরিবারের সদস্যও ছিলেন।
নিহতদের তালিকায় ৭ মাস বয়সী এক শিশুর পাশাপাশি ৩, ৬, ৮, ৯, ১২, ১৩ ও ১৬ বছর বয়সী একাধিক শিশু রয়েছে। তারা সুদানের এল ফাশার, এল জেনেইনা, নেয়ালা, গেদারেফ, ইস্ট নাইল, বাবানুসাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছিলেন।
কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এল ফাশার শহরের বাসিন্দারা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, মৃত্যু এল ফাশারের মানুষকে কোথাও রেহাই দেয়নি—নিজ শহর, বাস্তুচ্যুতির পথ, অভিবাসনের যাত্রা কিংবা সমুদ্র—কোথাও নয়।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এল ফাশার দখলের পর বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে চলমান সংঘাতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।