
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ভোট সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পাঁচ দিনের জন্য ৬৫৭ জন বিচারককে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। মনোনয়নকাল ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকা নির্বাচন কমিশন সচিবকে পাঠিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকা ধরে ভোট গ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন এই বিচারকরা দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থাৎ তারা ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী অপরাধের দ্রুত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৬৫৭ জন বিচারককে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে কার্যকর হবে।
মনোনীত বিচারকরা ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনী অপরাধ দ্রুত বিচার করবেন। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা এই আদেশের আওতায় সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
এর আগে, নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৩ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছিল। তারা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।