
সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল স্পষ্ট করেছেন, তার জীবনে কখনও কোনো দুর্নীতি ঘটেনি এবং বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে তার কোনো সম্পত্তি নেই। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়টি ব্যক্ত করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার বা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করার যে খবর ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং গুজব।
তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকালে এবং পরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি অভিযোগ প্রচারিত হয়েছে। এসব অভিযোগ মূলত অনলাইন মাধ্যমে শুরু হয়ে পরে কিছু সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টা দাবি করেন, “এক টাকা-আবার বলি, এক টাকাও দুর্নীতি করিনি। নিজের অজান্তেও কাউকে দুর্নীতির সুযোগ দিইনি।”
আসিফ নজরুল আরও জানান, তার কোনো নতুন ব্যাংক হিসাব নেই এবং কোনো অপ্রদর্শিত সম্পত্তি নেই। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ দেননি, এমনকি প্রায় পাঁচ হাজার আইন কর্মকর্তার নিয়োগে একজন আত্মীয়কেও সুযোগ পাননি।
স্মরণযোগ্য, চব্বিশের আন্দোলনের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক দায়িত্বও গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্ব পান। এই সময়ে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভারত না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখোমুখি হন।
ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, “আমেরিকা কেন, বাংলাদেশের বাইরে পৃথিবীর কোনো দেশেই আমার বাড়ি নেই। কোনো রকম সম্পত্তিও নেই।”
তিনি আরও জানিয়েছেন, লালবাগ শাহী মসজিদের জরুরি উন্নয়নের জন্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ উন্নয়নের জন্য তিনি সহযোগিতা করেছেন।
শেষে সাবেক উপদেষ্টা বলেন, বহু মিথ্যাচার ও অপবাদের মুখোমুখি হলেও তিনি কখনো চুরি বা অন্যের হক মেরে বেঁচে থাকার জন্য জন্মগ্রহণ করেননি।