
রাজশাহীর সিল্ক (রেশম) উন্নত ও সম্প্রসারণ করতে কাজ করছে সরকার। রেশম সুতা তৈরিতে উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তি, গবেষণা প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাতে এ বছর রেশম সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য ৯ লক্ষের পরিবর্তে ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এদেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বসনীদের (রেশম চাষী) 'কৃষক কার্ডের আওতায় আনার কাজ চলছে।'
শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে 'রাজশাহী সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ' বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে 'রাজশাহীর রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, রেশম বোর্ডের কারখানা পরিদর্শন করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,' রেশম চাষীদের সংখ্যা ও দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি কর্মসংস্থান বাড়াতে সাহায্য হবে। রেশম শিল্পকে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকতে ও আমদানী নির্ভরতা কমাতে চীন, জাপানের মতো আমাদেরকেও গুটি থেকে পনেরশ' মিটারের আশেপাশে সুতা বানাতে সক্ষম হতে হবে। তাই আপনাদের সুপারিশগুলো আমাদের কাছে দিবেন, বিবেচনা করে সেমতে উদ্যোগ নিবো।'
সভাতে বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুত 'এক গ্রাম, এক পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে তা এখানে রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। তা বাস্তবায়নে সরকার নীতিগত সহায়তা করবে।
মতবিনিময় পর্বে সপুরা সিল্কের পরিচালক সাজ্জাদ আলী সুতার মান বৃদ্ধি করতে এবং প্রাচীন পদ্ধতিতে রেশম চাষে তা এগুবে না বলে মত দেন। এজন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এ শিল্পে যুক্ত করে কাজ করতে হবে বলে জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, বিভিন্ন রেশম চাষী ও ব্যবসায়ীবৃন্দ, রেশম বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।