
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলার অঙ্গীকার নিয়ে দেশের শীর্ষ দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সাথে সরাসরি আলোচনায় বসলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আগামীর স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠকের বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে টিআইবি-র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সরকারপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এই সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, দুই নেতার আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার কার্যকর পদক্ষেপসমূহ। এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসনের জিরো টলারেন্স বা কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে কী ধরনের প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন, তা নিয়েও ইতিবাচক আলাপ হয়।
উপস্থিত ছিলেন যারা
রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলাকালে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টিআইবি প্রধানের সাথে প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি সাক্ষাৎ দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। সরকারের উচ্চমহল থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এমন অবস্থান ভবিষ্যতে সুশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।