
খুচরা পয়সার সংকটের কারণে নিম্নমূল্যের সিগারেট কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তার ভাষ্য, এই অতিরিক্ত অর্থ সরকারের রাজস্ব খাতে যোগ হচ্ছে না, ফলে রাষ্ট্র প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, একটি বাজেট তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন সেটি বাস্তবায়নযোগ্য হয়। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে নির্ধারিত ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় সরকারের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
তার মতে, বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হলে সরকারের ঋণনির্ভরতা কমানো সম্ভব হতো এবং প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঋণের চাপ বহন করতে হতো না।
বাজেট আলোচনায় তিনি কয়েকটি পণ্যের মূল্য ও কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার প্রস্তাবও তুলে ধরেন।
এ সময় নিম্নমূল্যের সিগারেটের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে একটি নিম্নস্তরের সিগারেটের নির্ধারিত মূল্য ৬ টাকা ২০ পয়সা হলেও বাজারে খুচরা পয়সার সংকটের কারণে ক্রেতাদের সেটি ৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
তার দাবি, অতিরিক্ত আদায় হওয়া ৮০ পয়সা সরকারের রাজস্ব হিসেবে জমা হচ্ছে না। এই অর্থ সরকারি কোষাগারে যুক্ত করা সম্ভব হলে বছরে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করা যেতে পারে।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।