
ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা ও সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে কমিশনের ১৩তম সভা শুরু হয়।
নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. শাহ আলম সভা শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনারদের পাশাপাশি কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সভার অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন। বিশেষ করে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বণ্টনের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে।
এনআইডি কার্ড ছাপানো ও বকেয়া বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত
নির্বাচন কমিশনের পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।
একই সঙ্গে অপেক্ষমাণ এনআইডি কার্ড ছাপানোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, বকেয়া বিল পরিশোধ এবং নতুন চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করা হবে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টিও সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।
নির্বাচন পদক নীতিমালার খসড়া অনুমোদনের বিষয়েও আলোচনা
বৈঠকে ‘জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫’-এর খসড়া প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি এ নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি, এনআইডি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং নির্বাচনসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রেই কমিশনের ১৩তম সভাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা সভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।