
খেলাধুলাকে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর মতে, একটি সুস্থ, সচেতন, কর্মক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গড়ে তুলতে ক্রীড়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ‘কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রয়াত ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের আয়োজনে আগামী ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে এ প্রতিযোগিতা।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতার আয়োজক, অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেট, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা, বিচারক, ক্রীড়া সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে আয়োজনটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এটি শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস।
এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা বিকশিত হবে, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং জাতীয় পর্যায়ে অ্যাথলেটিক্সের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
খেলাধুলার পরিবর্তিত গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রীড়া এখন আর শুধু বিনোদন কিংবা শারীরিক সুস্থতা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি পেশা হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার স্কুল পর্যায় থেকেই ক্রীড়া শিক্ষাকে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা অর্জনের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রীড়া মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের চেতনাকেও সুদৃঢ় করে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেটদের নিয়মনীতি মেনে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাব নিয়ে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।