
বিরোধীদলীয় সদস্যরা বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ থেকে ‘ওয়াক আউট’ করেন। বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘোষণা দেন জামায়াতের আমীর এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধীদলীয় পক্ষের দাবির যথাযথ প্রতিকার করা হয়নি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে সব দলের মধ্যে এই ইস্যুতে একমততা ছিল। তখন বিষয়টির পক্ষে প্রচার ও ক্যাম্পেইনও চালানো হয়েছিল। কিন্তু সংবিধান সংস্কার কার্যক্রমে বিরোধীদলীয় দলের স্বার্থ ও দেশের মানুষের রায়ের প্রতিফলন দেখা যায়নি। ফলে তারা অবমূল্যায়ন ও অবহেলার শিকার হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে এই অবস্থায় সংসদে বসে থাকা সম্ভব নয়, তাই প্রতিবাদ স্বরূপ ওয়াক আউটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওয়াক আউটের এই ঘটনা সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের উপস্থিতি শূন্য করে দিয়েছে। এর ফলে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পক্ষ থেকে কোনো অংশগ্রহণ নেই। বিরোধী দল মনে করছে, সরকারের পদক্ষেপে জনগণের ভোটের প্রতিফলন এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি।
বিরোধীদলীয় সদস্যদের এই পদক্ষেপ সরকারের সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তারা মনে করছেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা রাজনৈতিক স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের অভাব নির্দেশ করছে। ওয়াক আউটের মাধ্যমে বিরোধী দল জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের প্রতি সরকারের অবহেলার প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
সর্বশেষ, সংসদে বিরোধীদের অবস্থানহীনতা সরকারের সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক বৈচিত্র্য হ্রাস করছে এবং বিতর্কের বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে।