
গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত থাকলে কোনো স্বৈরশক্তিই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে জনগণকে ক্রীতদাসে পরিণত করাও সম্ভব হয় না।
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের নীতি প্রচার ও তা আরও সুসংহত করার লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। একই সঙ্গে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
রিজভী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখনো একদলীয় দুঃশাসনের প্রভাব রয়েছে। বাংলাদেশেও দেড় দশক ধরে নাগরিক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও মানবাধিকার হরণ করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার দাবি, বিভিন্ন কালাকানুনের মাধ্যমে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিন্নমতের কারণে অনেক মানুষ গুম, খুন ও আইনবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, তাকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে আটক রাখা হয়েছিল।
এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরও মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়ার মাধ্যমে বর্বরোচিত অত্যাচার চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যারা সংগ্রাম করেছেন, তাদের ত্যাগের বিনিময়েই গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়েছে। তাই গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।