
সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার পাশাপাশি ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল’ করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে যৌথসভায় এ আহ্বান জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সভায় দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন নেতারা। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
যৌথসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুস সালাম আজাদ ও সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবের রহমান শামীম, সৈয়দ শাহীন শওকত, আসাদুল হাবিব দুলু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সভায় অংশ নেন।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে বেনজীর আহমেদ টিটু, নজরুল ইসলাম আজাদ, হারুন অর রশীদ হারুন, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, মো. আব্দুল খালেক, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান, মাহবুবুল হক নান্নু, কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকী, মো. মোস্তাক মিয়া, খন্দকার মাশুকুর রহমান, আবু ওয়াহাব আকন্দ ও ওয়ারেছ আলী মামুন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরাও অংশ নেন। পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।