
মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে শেষ মুহূর্তে একাদশে পরিবর্তনের ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন পেসার শরিফুল ইসলাম।
তিনি জানান, টসের মাত্র এক-দুই সেকেন্ড আগে জানতে পারেন তিনি খেলছেন, যেখানে শুরুতে দলে ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এই আকস্মিক পরিবর্তনের পরও দ্রুত মানিয়ে নিয়ে মাঠে নামেন তিনি এবং নিজের প্রস্তুতির অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।
দ্বিতীয় ম্যাচের আগে রোববার (১৮ এপ্রিল) ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল বলেন, ওয়ার্মআপের সময়ই প্রথম ধারণা পান তিনি খেলতে পারেন। এরপর হঠাৎ করেই টসের ঠিক আগমুহূর্তে নিশ্চিতভাবে জানানো হয় তাকে একাদশে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ওয়ার্মআপের সময়ই জানলাম আমি খেলব। টসের এক-দুই সেকেন্ড আগে আমাকে বলা হয়। তখন দ্রুত ড্রেসিংরুমে গিয়ে প্রস্তুতি নিই। রিশাদও বলছিল, হয়তো এটা তোমার রিজিক। আমি সেটাই মেনে নিয়েছি।’
পেশাদার ক্রিকেটে সুযোগ আসার মুহূর্ত নিয়ে শরিফুল আরও বলেন, দলে থাকা প্রত্যেক খেলোয়াড়কেই সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়। সুযোগ যেভাবেই আসুক, সেটাকে কাজে লাগানোই মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘আমরা স্কোয়াডে যারা থাকি সবাই রেডি থাকি। কোচিং স্টাফ যাকে সুযোগ দেবে, সে খেলবে। এটা আমাদের হাতে থাকে না।’
কম সময়ের প্রস্তুতিতেও মাঠে নিজের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে জানান এই পেসার। তিনি বলেন, তিনি সংক্ষিপ্ত রান-আপ ও ওয়ার্মআপ বোলিং করেই ম্যাচে নেমেছেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।
উইকেট প্রসঙ্গে শরিফুল জানান, মিরপুরের উইকেট প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্ন আচরণ করেছে। তাঁর মতে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই মানিয়ে নেওয়াটাই বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, উইকেট যেমনই হোক, সেটার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম ম্যাচে দলের হার নিয়ে কিছুটা হতাশা থাকলেও ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন এই তরুণ পেসার। তিনি মনে করেন, ক্রিকেট একটি দলীয় খেলা যেখানে এক বিভাগ ভালো করলেও অন্য বিভাগ পিছিয়ে পড়তে পারে।
শরিফুল বলেন, ‘আমরা যদি আরও ভালো বোলিং করতে পারতাম, ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ হতো। তবে আমরা সবাই একে অপরকে সাপোর্ট করি। ইনশাআল্লাহ, পরের ম্যাচে ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াব।’