
বল হাতে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ব্যাটিং লাইনআপে ত্রাস ছড়ালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। একাই নিলেন ৪ উইকেট। তবে ব্যাট হাতে পুরোপুরি বিবর্ণ বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। ১৪ বল খেলে করেছেন মাত্র ২ রান।
মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ত্রিনবাগোকে ১২৬ রানে আটকে দিয়ে শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারের ব্যাটে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন গায়ানার অধিনায়ক ইমরান তাহির। শুরুটা ভালোই করেছিল ত্রিনবাগো। কলিন মুনরো ও অ্যালেক্স হেলসের ব্যাটে দ্রুত রান তুলছিল দলটি। তবে ২৬ রানে মুনরোকে ফিরিয়ে গায়ানাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ।
পরের বলেই নিকোলাস পুরানকে বোল্ড করেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। এক ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে ত্রিনবাগোর ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা দেন তিনি।
দ্বিতীয় ওভারে উইকেট না পেলেও নিজের তৃতীয় ওভারে আবারও সাফল্য পান মিরাজ। ইনিংসের শেষ ওভারে সুনীল নারাইনকে বোল্ড করে পূর্ণ করেন ৪ উইকেট। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। গায়ানার হয়ে শামার জোসেফ নেন ২ উইকেট।
ত্রিনবাগোর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে জাস্টিন গ্রিভস সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান সংগ্রহ করে ত্রিনবাগো।
জবাবে গায়ানাও শুরুতে খুব একটা দ্রুত রান তুলতে পারেনি। গ্লেন ফিলিপস ও মাভেন্দ্র দয়াল ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৩৫ রান তুলে লক্ষ্যের পথে এগোতে থাকে গায়ানা।
ফিলিপস ১১ রানে ফেরার পর শাই হোপের সঙ্গে জুটি বাঁধেন হেটমায়ার। দুজন মিলে যোগ করেন ৪৯ রান। ১৯ বলে ৩ ছক্কায় ২৮ রান করে হেটমায়ার ফিরলে ক্রিজে আসেন মিরাজ।
বল হাতে ত্রিনবাগোর ব্যাটসম্যানদের নাকাল করা মিরাজ ব্যাট হাতে অবশ্য হতাশ করেন দলকে। ১৪ বল খেলে মাত্র ২ রান করে ফিরে যান তিনি।
তবে মিরাজের ব্যাটিং ব্যর্থতায় গায়ানার জয় থামেনি। শাই হোপ ও কুয়েন্টিন স্যাম্পসনের ব্যাটে ৬ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। ৩৫ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ। স্যাম্পসন অপরাজিত থাকেন ১২ রানে।