
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীন সনাতনী রাষ্ট্রের দাবি এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে রাজপথে নামে ‘বঙ্গসেনা’ নামের একটি সংগঠন। তবে পুলিশের বাধায় উপ-হাইকমিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি বিক্ষোভকারীরা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বঙ্গসেনার কর্মী-সমর্থকেরা শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল বের করেন। মিছিলে বিপুলসংখ্যক গেরুয়া বসনধারী এবং সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীদের অংশ নিতে দেখা যায়। বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিলটি পার্ক সার্কাসে অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের উদ্দেশে যাত্রা করে।
মিছিলটি উপ-হাইকমিশনের কাছাকাছি পৌঁছালে কলকাতা পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড দিয়ে সেটি আটকে দেয়। মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে বিক্ষোভকারীদের থামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাক্কাধাক্কি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে প্রশাসন। পরে ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নিয়ে নিজেদের দাবিতে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ করেন বঙ্গসেনার সদস্যরা।
শনিবার মিশন বন্ধ থাকায় সংগঠনের প্রতিনিধিরা কোনো স্মারকলিপি জমা দিতে পারেননি। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উপ-হাইকমিশন ও আশপাশের এলাকায় আগেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে বাংলাদেশ মিশনের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টির এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’ এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সন্ন্যাসীরা প্রায় একই দাবিতে মিশনের বাইরে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে সেবার তাঁরা মিশনের কর্মকর্তাদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।